Travel

খুলনা কিসের জন্য বিখ্যাত

খুলনা বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে রূপসা নদী এবং ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত। খুলনা কিসের জন্য বিখ্যাত বাংলাদেশের প্রাচীনতম নদী বন্দরগুলোর মধ্যে খুলনা অন্যতম। খুলনা বিভাগকে সাদা সোনার দেশ ও বলা হয়. খুলনা – সুন্দরবন, সন্দেশ, নারিকেল এবং গলদা চিংড়ির জন্য বিখ্যাত.

খুলনা কিসের জন্য বিখ্যাত

খুলনা বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে রূপসা নদী এবং ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত। বাংলাদেশের প্রাচীনতম নদী বন্দরগুলোর মধ্যে খুলনা অন্যতম। খুলনা বিভাগকে সাদা সোনার দেশ ও বলা হয়. খুলনা – সুন্দরবন, সন্দেশ, নারিকেল এবং গলদা চিংড়ির জন্য বিখ্যাত।

খুলনা বাংলাদেশের কত তম বিভাগ?

খুলনা বিভাগ বাংলাদেশের আটটি বিভাগের মধ্যে একটি এবং এটি দেশের দক্ষিণ পশ্চিম দিকে অবস্থিত।

খুলনা কোন খাবারের জন্য বিখ্যাত

খুলনার বিখ্যাত খাবারের মধ্যে চুইঝালের খাসির মাংস অন্যতম৷ আর এটার পুরোপুরি স্বাদ নিতে হলে আপনাকে যেতে হবে খুলনার অদূরে চুকনগর নামক স্থানে অবস্থিত বিখ্যাত আব্বাস হোটেলে।

খুলনা বিভাগের বিখ্যাত বা দর্শনীয় স্থান:

  • সুন্দরবন
  • পিঠাভোগ
  • দক্ষিণডিহি
  • খুলনার বিভাগীয় জাদুঘর
  • বধ্যভূমি ও স্মৃতিসৌধ, গল্লামারী
  • চুকনগর
  • শিরোমণি
  • রূপসা নদী পাড়
  • খান জাহান আলী সেতু
  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্বশুরালয়

প্রকাশিত খবরের কাগজ

খুলনা বিভাগ থেকে প্রকাশিত দৈনিক এবং সাপ্তাহিক খবরের কাগজ সমূহ : দৈনিক গ্রামের কাগজ, লোকসমাজ, স্পন্দন, দৈনিক পূর্বাঞ্চল, দৈনিক খুলনাঞ্চল, দৈনিক দৃষ্টিপাত, দৈনিক দক্ষিণের মশাল, খুলনা নিউজ, দৈনিক মাথাভাঙ্গা, দৈনিক সাতক্ষীরা নিউজ, দৈনিক খেদমত, দৈনিক সময়ের খবর, দৈনিক আমার একুশ, দৈনিক জন্মভূমি, দৈনিক অনির্বাণ, দৈনিক প্রবাহ , দৈনিক তথ্য , পত্রদূতগ্রামের কাগজ, খুলনা গেজেট, যুগের বার্তা ।

খুলনা জেলা কবে শত্রুমুক্ত হয়

খুলনা মুক্ত হয়েছিল ১৭ ডিসেম্বর। খুলনা: ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় অর্জিত হলেও দেশের কোনো কোনো জায়গা তখনো হানাদারমুক্ত হয়নি। খুলনা মুক্ত হয়েছিল ১৭ ডিসেম্বর। ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় পাকবাহিনীর আত্মসমর্পণের পরদিন দুপুরে খুলনার পাকবাহিনী আত্মসমর্পণ করে।

খুলনা জেলা কত নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল?

কুষ্টিয়া, যশোর, দৌলতপুর সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত খুলনা জেলা ও ফরিদপুরের কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৮’ এর অন্তর্ভুক্ত। এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী ও আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেজর এম এ মঞ্জুর। এই সেক্টরে ছিল ৭টি সাব-সেক্টর।

খুলনা জেলার ইতিহাস

ঐতিহাসিক ঘটনা প্রায় ৬০০ বছর আগে পীর খানজাহান এই জেলায় এসেছিলেন ধর্ম প্রচারের জন্য। তিনি প্রথমে সুন্দরবন এলাকা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তার বসতি স্থাপন করেন এবং বাগেরহাটের আশেপাশের এলাকায় তার শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। স্বদেশী আন্দোলনের প্রচারের জন্য মহাত্মা গান্ধী ১৯২৬ সালে খালিশপুরে আসেন।

খুলনা বিভাগের নামকরণ

এই বিভাগের নামকরণ করা হয়েছে খুলনা সদরের নামে। প্রচলিত মতানুসারে ভৈরব নদীর তীরে খুল্লেনেশ্বরী দেবীর মন্দির ছিলো, যা খুলনা শহর থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে এবং এই দেবীর নামানুসারে খুলনা অঞ্চলের নামকরণ করা হয়েছে।

প্রশাসনিক জেলা

খুলনা বিভাগ ৫৯টি উপ-জেলা (উপজেলা) উপবিভাজন নিম্নলিখিত ১০টি জেলা (জিলা) নিয়ে গঠিত হয়েছে। কুষ্টিয়া জেলা, খুলনা জেলা, চুয়াডাঙ্গা জেলা, ঝিনাইদহ জেলা, নড়াইল জেলা, বাগেরহাট জেলা, মাগুরা জেলা, মেহেরপুর জেলা , যশোর জেলা ও সাতক্ষীরা জেলা ।

 

5/5 - (2 votes)

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button