Travel

বরগুনা কিসের জন্য বিখ্যাত

বরগুনা কিসের জন্য বিখ্যাত

বরগুনা কিসের জন্য বিখ্যাত বরগুনা জেলা এটি বরিশাল বিভাগের অন্তর্গত। বরগুনা জেলার আয়তন ১,৮৩১.৩১ বর্গ কিলোমিটার বর্গকিমি। বরগুনা জেলার মোট জনসংখ্যা ৮,৯২,৭৮১ জন আদমশুমারী ২০১১ অনুযায়ী।বরগুনা জেলা ৬টি উপজেলা, ৬টি থানা, ৪টি পৌরসভা, ৪২টি ইউনিয়ন ও ২টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত।বরগুনা জেলা নারিকেল ও সুপারি এর জন্য বিখ্যাত।বরগুনা জেলার সাক্ষরতার হার ৫৭.৬ শতাংশ।বরগুনা জেলার মানুষ প্রধানত কৃষি নির্ভর । ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডর-এর আঘাতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলা বরগুনা।

ঝালকাঠি কিসের জন্য বিখ্যাত

বরগুনা জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিদের নাম

★শাহজাদা আবদুল মালেক খান
★ অধ্যাপক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান (উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
★ হুমায়ুন কবির হিরু
★ জাফরুল হাসান ফরহাদ
★ ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু
★ আবদুর রহমান খোকন
★ দেলোয়ার হোসেন
★ সৈয়দ রহমাতুর রব ইরতিজা আহসান
★ নুরুল ইসলাম মনি
★ গোলাম সরোয়ার হিরু
★ গোলাম সবুর টুলু
★ শওকত হাচানুর রহমান রিমন
★ অভিনেতা মীর সাব্বির সহ ইত্যাদি অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিদের জন্মস্থান লক্ষ্মীপুর জেলায়

বরগুনা কিসের জন্য বিখ্যাত
বরগুনা কিসের জন্য বিখ্যাত

বরগুনা দর্শনীয় স্থান

★ বেতাগীতে বিবি চিনি মসজিদ
★ তালতলীর বৌদ্ধ মন্দির ও বৌদ্ধ একাডেমী।
★ পাথরঘাটার হড়িণঘাটার লালদিয়া সমুদ্রসৈকত
★ সোনাকাটা সমুদ্র সৈকত
★ সোনাকাটা ইকোপার্ক
★ ফাতরার বন
★ বিহঙ্গ দ্বীপ বা ধানসিড় চর
★ শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত, নলবুনিয়া, তালতলী।

বরগুনা জেলার নামকরণ ও সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

বৃটিশ আমলে প্রশাসনিক সুবিধার জন্য ১৮৭১ সনে পটুয়াখালী মহকুমা সৃষ্টি হয়। তখন এ মহকুমায় পটুয়াখালী,মির্জাগঞ্জ,গুলিশাখালী ,বাউফল ও গলাচিপাসহ মোট ৫টি থানা ছিল। বামনা ও পাথরঘাটা ছিল মঠবাড়ীয়া থানাধীন।এ সময় বরগুনা গুলিসাখালী থানাধীন ছিল।পরবর্তীতে উক্ত শতাব্দীর শেষ দিকে প্রশাসনিক সুবিধার জন্য বামনা ,পাথরঘাটা,বরগুনা বেতাগী ও খেপুপাড়া থানার সৃষ্টি হয়। থানা হিসাবে নামকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানচিত্রে বরগুনার নাম স্থান পায়।

পিরোজপুর কিসের জন্য বিখ্যাত

চতুর্দশ শতাব্দীতে সমগ্র দক্ষিণাঞ্চল ছিল বাকেরগঞ্জের অধীন । আঠারো শতকের মধ্যভাগে পূর্ব বাংলার আলোচিত ব্যক্তি ছিলেন আগাবাকের খান। তাঁর জমিদারি ছিল বাকলা চন্দ্রদ্বীপে। পটুয়াখালী ও বরিশালকে বলা হতো বাকলা চন্দ্রদ্বীপ। শাসনকার্য পরিচালনার জন্য বৃটিশ সরকার ১৭৯৭ সনে ৭ নং রেজুলেশন অনুসারে আগাবাকের খানের নামনুসারে বাকেরগঞ্জ জেলার সৃষ্টি করেন। শান্তি শৃংখলা রক্ষার জন্য এবং জলদস্যুদের আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য উনিশ শতকের প্রথম দিকে বিশখালী নদীর তীরে ফুলঝুড়িতে একটা অস্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে ১৯০৪ সালে বরগুনাতে স্থায়ীভাবে ১ টি পুলিশ ষ্টেশন স্থাপন করা হয় ও গুলিশাখালী থানাকে আমতলী ও বরগুনা নামে দুটি পৃথক থানা করা হয় । পরবর্তীকালে বঙ্গোপসাগরে চর পড়তে থাকে এবং সুন্দরবন অঞ্চল আবাদ হয়ে বিরাট জনপদের সৃষ্টি হয় । এভাবে বরগুনা থানার পরিধিও বিস্তার লাভ করে ।

এক কালের সুন্দর বনাঞ্চলের বরগুনা ক্রমান্বয়ে ঘনবসতিপূর্ণ স্থানে পরিণত হয়। এ এলাকাতে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক তৎপরতা শুরু হয়। শাসন কার্যের সুবিধা, আয়তন ও লোক সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৯৬৯ সনে পটুয়াখালী জেলা সৃষ্টির সাথে মহকুমা শহর হিসাবে বরগুনা ইতিহাসের পাতায় স্থান পায়। কলাপাড়া, আমতলী,বরগুনা,বেতাগী এবং পিরোজপুর মহকুমার পাথরঘাটা এবং বামনা থানা নিয়ে বরগুনা মহকুমা গঠিত হয়। বরগুনা মহকুমা সদরের সাথে যোগাযোগের অসুবিধার কারণে পরবর্তীতে কলাপাড়া থানা পটুয়াখালী মহকুমার সাথে যুক্ত হয়।মহকুমায় রুপান্তরিত হওয়ার আগে থেকেই বরগুনা শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে অন্যান্য এলাকার সাথে তাল মিলিয়ে অগ্রসর হতে থাকে।পরবর্তীকালে সময়ের প্রয়োজনে ১৯৮৪ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারী বরগুনা মহকুমাকে জেলায় উন্নীত করা হয়।

বরগুনা জেলায় বিখ্যাত খাবার কী

বরগুনা জেলা নারিকেল ও সুপারির জন্য বিখ্যাত।এছাড়াও বরগুনার বিখ্যাত খাবার -চুইয়া পিঠা, চ্যাবা পিঠা, মুইট্টা পিঠা, আল্লান, বিসকি, তালের মোরব্বা, শিরনি, নাড়িকেলের সুরুয়া, চালের রুটি, ইলিশ মাছ, মিষ্টি।

রংপুর জেলার বিখ্যাত ব্যক্তি

বরগুনা জেলার এমপি কে?

বরগুনা-৩ বাংলাদেশের একটি বিলুপ্ত সংসদীয় আসন। বাংলাদেশের বরগুনা জেলার আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে এ সংসদীয় আসন গঠিত হয়েছিল। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নির্বাচনী গেজেটে এই আসনটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। এই আসনের সর্বশেষ সাংসদ ছিলেন শেখ হাসিনা।

Rate this post

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button