Travel

বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ার দূরত্ব

বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ার দূরত্ব বাই এয়ার বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ার দূরত্ব ৭১৭১ কিলোমিটার।তবে বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া ফ্লাইটের ট্রানজিটের ক্ষেত্রে কোন বিলম্ব হলে পৌঁছানোর সময়ের কিছুটা তারতম্য হতে পারে।এছাড়া অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার সময় এয়ারপোর্ট চেকইন-চেকআউট সময় অবশ্যই বিবেচনায় রাখা উচিত।

Table of Contents

বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ার দূরত্ব

অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশ কত কিলোমিটার বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া যেতে যে সময় লাগে,প্রাসঙ্গিকভাবেই অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশ আসতেও সেই একই সময় লাগে।অর্থাৎ অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশের দূরত্বও ৭১৭১ কিলোমিটার।সেইসাথে অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশ আসতে সময় লাগবে ১৩ ঘণ্টা।

বাংলাদেশ থেকে টেম্পোরারি বা অস্থায়ী ভিসার মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া যেতে আপনার সর্বমোট ৬ লক্ষ টাকার মত খরচ হবে। তবে, এটা এজেন্সি ভিসা দাতা প্রতিষ্ঠান এবং আরো অনন্য জিনিসের উপর নির্ভর করে টাকার পরিমাণ কম বেশি হতে পারে। এছাড়াও, ওয়ার্ক পারমিট ভিসার মাধ্যমে সর্বমোট আনুমানিক ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা খরচ হবে।

আরো পড়ুন: বাংলাদেশ থেকে ইতালি কত কিলোমিটার

বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া যেতে কত সময় লাগে

বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া যেতে ওয়ান স্টপ প্লাস ফ্লাইটে আপনার সময় লাগবে ৩৫ ঘন্টা। বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া রুটে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স, ইতিহাদ এয়ারওয়েজ, কাতার এয়ারওয়েজ, মালিন্দো এয়ার, শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্স, এমিরেট্‌স এয়ারলাইন্স সহ অনন্য বিমান নিয়মিত যাতায়াত করে।

বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার উপায়

আপনি বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া মোট চারটি ভিসার মাধ্যমে যেতে পারবেন। সেগুলো হলো স্টুডেন্ট ভিসা, টুরিস্ট বা বিজনেস ভিসা, মেডিকেল এবং ওয়ার্ক পারমিট ভিসা। অস্ট্রেলিয়া যেতে হলে আপনার ভিসা সহ পাসপোর্ট এবং এয়ার টিকিট থাকতে হবে।

সরকারিভাবে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার উপায়

অনেকে সরকারি ভাবে কিভাবে অস্ট্রেলিয়া যাবেন সেটি সম্পর্কে প্রশ্ন করেন। তাদের জন্য বলছি, বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই বিএমইটি ভবনের সাথে যোগাযোগ করতে হবে এবং তাদের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ার দূরত্ব কত কিলোমিটার

আমরা ইতিমধ্যে বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া যেতে কত টাকা লাগে, কত সময় লাগে এবং যাওয়ার উপায় এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। এখন আলোচনা করবো বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ার দূরত্ব কত কিলোমিটার সেটি সম্পর্কে। বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ার দূরত্ব ৭,১৭১ কিলোমিটার।

অস্ট্রেলিয়া ভিসা খরচ

বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া যেতে ভিসা বাবদ কত টাকা খরচ হবে সেটা সম্পর্কে অনেকে জানতে চাই। অস্ট্রেলিয়ার ভিসা খরচ বাবদ আপনার আনুমানিক ৩২৫ ডলার খরচ হবে। যা বাংলাদেশী টাকায় কনভার্ট করলে হয় ৩৪ হাজার ৫৫৩ টাকা (২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২২ অনুযায়ী)।

অস্ট্রেলিয়া ভিসা আবেদন

আপনি কয়েকটি উপায়ে অস্ট্রেলিয়া ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। যেমন: এজেন্সির মাধ্যমে, অনলাইনে এবং আপনার পরিচিত জন যে অস্ট্রেলিয়া থাকে তার মাধ্যমে। অনলাইনে আবেদন করার লিংক উপরে দিয়েছি।

Google News

অস্ট্রেলিয়ার মুদ্রার নাম কি – অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর নাম কি

অস্ট্রেলিয়ার মুদ্রার নাম অস্ট্রেলিয়ান ডলার (AUD) অনেকেই অস্ট্রেলিয়া টাকা বাংলাদেশের কত টাকা? তা জানতে ইন্টারনেটের সার্চ দিয়ে থাকেন। অস্ট্রেলিয়ার টাকার রেট কত তা নিচে দেওয়া হল।
১ AUD = প্রায় ৫৭ টাকার সমান
১ AUD = ০.৭৬ মার্কিন ডলার
অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর নাম ক্যানবেরা (Canberra) অস্ট্রেলিয়ার কমনওয়েলথ হল একটি অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের সার্বভৌম রাষ্ট্র। এটি অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখণ্ড, তাসমানিয়া এবং অন্যান্য ক্ষুদ্র দ্বীপ নিয়ে গঠিত। এটি ওশেনিয়ার বৃহত্তম জাতি এবং বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম দেশ, যার মোট আয়তন ৭৬,১৭,৯৩০ বর্গ কিলোমিটার (২৯,৪৪,৩০০ বর্গ মাইল)। ক্যানবেরার (Canberra) জনসংখ্যা প্রায় ৩৯০,০০০ জন, যা অস্ট্রেলিয়ার মোট জনসংখ্যার ১.৬৪%। জনসংখ্যা প্রায় ৫০.৫% মহিলা এবং ৪৯.৫% পুরুষ নিয়ে গঠিত। গত আট বছরে ক্যানবেরার (Canberra) জনসংখ্যার দিকে তাকালে, বৃদ্ধির গতি বেশ স্থিতিশীল হয়েছে, প্রতি বছর ০.৫০% থেকে ২.৪২% পর্যন্ত, সামগ্রিক জনসংখ্যার প্রায় ১,৮৮৮ থেকে ১৪,৪৮০ জন ব্যক্তিকে যুক্ত করেছে।

অস্ট্রেলিয়া ভিসা আবেদন

immi.homeaffairs.gov.au এই ওয়েবসাইটটিতে যান, মেনু থেকে ভিসা অপশনে ক্লিক করুন, অস্ট্রেলিয়ায় Working এ ক্লিক করুন, একটি দক্ষতা বাছাই করুন, অস্ট্রেলিয়া ওয়ার্ক ভিসা আবেদন পূরণ করুন এবং তারপর ভিসা আবেদনের PDF ডাউনলোড করুন।

অস্ট্রেলিয়া ভিসার জন্য আবেদন বিভিন্ন উপায়ে করা যেতে পারে। আপনি যদি তাদের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণ করতে চান তবে বিভিন্ন এজেন্সি মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া ভিসা আবেদন করতে পারবেন।

আপনি যদি একজন দালালের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ান ভিসার জন্য আবেদন করেন, তাহলে ব্রোকার হয় তা করার জন্য আপনার কাছ থেকে টাকা নেবে অথবা যদি তারা ছায়াময় হয়, তাহলে তারা আপনার টাকা চুরি করবে।

বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার উপায়

মোট চারটি ভিসা আছে যা আপনি বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার জন্য ব্যবহার করতে পারেন। এর মধ্যে রয়েছে , স্টুডেন্ট ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট, বিজনেস ভিসা, ট্যুরিস্ট এবং মেডিকেল ভিসা। অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণের জন্য একটি বৈধ পাসপোর্ট, একটি বিমানের টিকিট এবং একটি ভিসা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া যেতে কত টাকা লাগে

বাংলাদেশ থেকে স্থায়ী বা অস্থায়ী ভিসার মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া যেতে আপনার খরচ হবে মোট ৬ লাখ টাকা। তবে, ভিসা প্রদানকারী সংস্থা এবং অন্যান্য বিষয়ের উপর নির্ভর করে, ফি কম বা বেশি হতে পারে। ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য মোট খরচ হবে ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকার মধ্যে।

অস্ট্রেলিয়া বেতন কত

অস্ট্রেলিয়ায় গড় বেসিক বেতন প্রায় ৪৫,০০০ টাকা। বাংলাদেশ বা অন্যান্য দেশের মানুষ যারা অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি করতে যেতে চায় তারা মাসে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা আয় করে। অতএব, ৪০,০০০ থেকে $৪৫,০০০ একটি বেস মজুরি বিবেচনা করা যেতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার সর্বনিম্ন বেতন কত

অস্ট্রেলিয়ার সর্বনিম্ন বেতন ২৫ হাজার টাকা। অস্ট্রেলিয়ায় আপনাকে কখনই এর চেয়ে কম বেতন দেওয়া হবে না, আপনার চাকরি যাই থাকুক না কেন। আপনি ২৫ এর বেশি ন্যূনতম মজুরি পাবেন। অস্ট্রেলিয়ায়, অনেক চাকরির বিভাগ রয়েছে যেগুলি বিভিন্ন বেতনের হার অফার করে। যাইহোক, আপনি যে কাজটি সম্পূর্ণ করেন তার উপর ভিত্তি করে আপনার বেতন।

অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ বেতন কত

অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন চাকরিতে বিভিন্ন ব্যক্তি কাজ করে। পদ বা কাজের প্রকারের উপর ভিত্তি করে বেতন নির্ধারণ করা হয়। অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণে একজন শ্রমিকের সর্বোচ্চ মজুরি এক লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা। যাইহোক, এটি সব কাজের উপর নির্ভর করে।

অস্ট্রেলিয়া ভিসা প্রসেসিং

স্টুডেন্ট, টুরিস্ট, বিজনেস, মেডিকেল এবং ওয়ার্ক পারমিট ভিসা এই কয়েকটি অস্ট্রেলিয়া ভিসার জন্য আপনি আবেদন করতে পারেন। ভিসা প্রসেসিং সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যের জন্য immi.homeaffairs.gov.au/visas/working-in-australia এই ওয়েবসাইটটি ভিজিট করতে পারেন।

অস্ট্রেলিয়া লেবার ভিসার বেতন কেমন

বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া আপনি যদি লেভার ভিসার মাধ্যমে যান তাহলে আপনার আনুমানিক সর্বনিম্ন বেতন হবে ৬০ হাজার টাকা। তবে, অভিজ্ঞতা, পারফর্মেন্স এবং কোম্পানির ওপর নির্ভর করে বেতন কম বা বেশি হতে পারে।

Rate this post

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button