Travel

বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যাওয়ার নিয়ম

বর্তমান সময়ে আমাদের দেশ থেকে অসংখ্য মানুষ পর্তুগাল যাচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যাওয়ার নিয়ম তবে আপনি এখন অনেক চিন্তিত আমি কি পর্তুগাল যেতে পারবো। সত্যিকার অর্থে আপনার যদি পর্তুগাল ভিসার যোগ্যতা থাকে। তাহলে আপনার পর্তুগাল যাওয়া আল্লাহ তায়ালা ছাড়া কেউ ঠেকাতে পারবে না। এই কারণে আপনাকে অবশ্যই সঠিক নিয়ম নির্দেশ অনুযায়ী ভিসা করতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যাওয়ার নিয়ম

এছাড়াও পর্তুগাল যাওয়ার আগে আপনাকে অবশ্যই পর্তুগাল ভিসার শর্তগুলো পূরণ করতে হবে। অর্থাৎ পর্তুগাল ভিসার রিকোয়ারমেন্ট গুলো আপনি যদি পূরণ করতে পারেন তাহলে সহজেই পর্তুগাল যেতে পারবেন। চলুন বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত তথ্য জেনে নেই।

আরো পড়ুন: বাংলাদেশ থেকে কানাডার দূরত্ব

পর্তুগাল কৃষি ভিসা আবেদন ২০২৩

  • আপনি পর্তুগালে কৃষি ভিসার মাধ্যমে যেতে চাইলে বিভিন্ন এজেন্সি এর মাধ্যমে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। এছাড়াও, বোয়েসেল অথবা বিএমইটির মত প্রতিষ্ঠান থেকে আপনি পর্তুগাল ভিসার সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাবেন।
  • পর্তুগাল এর কৃষি ভিসার জন্য আবেদন করতে আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট, কাজের দক্ষতার সার্টিফিকেট, জাতীয় পরিচয়পত্র এর ফটোকপি, পাসপোর্ট, পূর্বে ট্রাভেলের প্রমাণপত্র এবং পর্বের কাজের অভিজ্ঞতা এই কাগজপত্র গুলো লাগবে।

পর্তুগাল স্টুডেন্ট ভিসা ২০২৩

  • বাংলাদেশ থেকে পর্তুগালে সবচেয়ে বেশি যে ভিসার মাধ্যমে যাওয়া হয় সেটি হলো পর্তুগাল স্টুডেন্ট ভিসা। পর্তুগাল স্টুডেন্ট ভিসা এর জন্য আপনি বিভিন্ন এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা অনলাইনে আবেদন করতে পারেন।
  • এছাড়াও, যদি আপনার পরিচিত কেউ পর্তুগালে থাকে তাহলে আপনি তার সাথে যোগাযোগ করে এই বিষয়টি সম্পর্কে পরামর্শ গ্রহণ করতে পারেন। এতে করে আপনার পর্তুগাল যাওয়ার কাজ আরো অনেকাংশে সহজ হয়ে যাবে।
  • বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যাওয়ার জন্য আপনার পাসপোর্ট, পর্তুগালের অনুমোদিত ভিসা এবং এয়ার টিকিট এগুলো লাগবে। এই তিনটি জিনিস একত্রে হলে আপনি বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যাওয়ার জন্য অনুমতি পাবেন। কিভাবে পর্তুগালের ভিসার জন্য আবেদন করতে হয় সেটি নিচে আমি বলেছি।

বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যেতে কত টাকা লাগে

আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে পর্তুগালে স্টুডেন্ট কিংবা কাজের ভিসায় যেতে চান তবে আপনার আনুমানিক সর্বমোট ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা খরচ হবে। তবে এজেন্সি, ভিসার ধরন এবং অনন্য জিনিসের উপর ভিত্তি করে এই টাকার পরিমাণ কম কিংবা বেশি হতে পারে।

গুগল নিউজ ফলো করুন।

পর্তুগাল কাজের ভিসা অনলাইনে আবেদন করুন

পর্তুগালে কাজের ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করার আগে আপনার কিছু ডকুমেন্টস রেডি করে নিতে হবে সেগুলো হলোঃ ব্যাংক স্টেটমেন্ট, কাজের দক্ষতার সার্টিফিকেট, জাতীয় পরিচয়পত্র এর ফটোকপি, পাসপোর্ট, পূর্বে ট্রাভেলের প্রমাণপত্র এবং পর্বের কাজের অভিজ্ঞতা।

উপরের এই কাগজপত্র গুলো আপনাকে এক জায়গায় করে আপনাকে

schengenvisainfo.com/portugal-visa এই লিংকটি ভিজিট করতে হবে এবং তারপর সমস্ত তথ্য প্রদান করে আবেদন করতে হবে। পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট দেওয়ার ক্ষেত্রে দক্ষতাকে সবচেয়ে বেশি প্রধান্য দেয়।

পর্তুগাল ভিসা কিভাবে পাওয়া যায়

  • পর্তুগাল সাধারণত ৪ ধরনের ভিসা দেয় সেগুলো হলোঃ স্টুডেন্ট ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট ভিসা, মেডিকেল ভিসা এবং টুরিস্ট ভিসা। তবে সাধারণত বাংলাদেশ থেকে স্টুডেন্ট এবং ওয়ার্ক পারমিট ভিসা এই দুটি ভিসায় বেশি আবেদন করা হয়।
  • পর্তুগালের এই চারটি ভিসার মধ্যে টুরিস্ট এবং মেডিকেল এই দুটি ভিসা পাওয়া তুলনামূলক অনেক সহজ। তবে, স্টুডেন্ট এবং ওয়ার্ক পারমিট এই দুটি ভিসা পাওয়া তূলনামূলক একটু কঠিন।

ঢাকা টু পর্তুগাল বিমান ভাড়া

বাংলাদেশের ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পর্তুগালের বেশকিছু রুটে প্রতিদিন অনেকগুলো ফ্লাইট পরিচালিত হয়। ঢাকা টু পর্তুগাল সর্বনিম্ন বিমান ভাড়া হলো ৯৭ হাজার ১২৫ টাকা (কাতার এয়ারওয়েজ)।

বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যাওয়ার সহজ উপায়

অনেক ভাবে আপনি বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন। তারমধ্যে সবচেয়ে সহজ উপায় বলে আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি অনলাইনে আবেদন করা। এছাড়াও, আপনি এজেন্সি এবং পরিচিত কারো মাধ্যমেই যেতে পারেন।

পর্তুগাল ভিসা কত টাকা

পর্তুগালের কোন ভিসা কত টাকা সেটি চলুন এখন জেনে নেওয়া যাক। পর্তুগালের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকা, স্টুডেন্ট ভিসা ৫ লক্ষ টাকা, টুরিস্ট ভিসা ৩ লক্ষ টাকা (আনুমানিক) এবং মেডিকেল ভিসা ৪ লক্ষ টাকা।

পর্তুগাল ওয়ার্ক ভিসা ফর বাংলাদেশী

পর্তুগাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে যেকোনো একটি বিষয়ে দক্ষ হতে হবে। পর্তুগাল দক্ষতাকে অনেক বেশি প্রধান্য দিয়ে থাকে। তবে, কোম্পানি ভেদে অনন্য আরো অনেক Requirement থাকে।

5/5 - (2 votes)

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button