Travel

চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার উপায় ও মাধ্যম

চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিন
চট্টগ্রামের সিনেমা প্যালেস, দামপাড়া থেকে কিছু বাস রাত ১২/১ টায় চট্টগ্রাম থেকে টেকনাফের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এছাড়া এখন বে-ওয়ান জাহাজে করে সরাসরি চট্রগাম থেকে জাহাজে করে সেন্টমার্টিন যাওয়া যায়।

Table of Contents

চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার উপায় ও মাধ্যম

প্রিয় পাঠক এই আর্টিকেলে আমরা চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার উপায়, কোন কোন জাহাজ যায় ও তাদের ভাড়া সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। আশাকরি আপনাদের উপকারে আসবে।

চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার উপায়ঃ

সেন্ট মার্টিনের প্রধান আকর্ষণ হল এর সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। দ্বীপটিতে রয়েছে সাদা বালির সৈকত, নীল সমুদ্র, প্রবাল প্রাচীর এবং ঝাউবন। এছাড়াও, এখানে রয়েছে একটি ঐতিহাসিক মসজিদ এবং একটি প্রবাল সংরক্ষণাগার। সেন্ট মার্টিনের পর্যটন মৌসুম শুরু হয় নভেম্বর থেকে এবং শেষ হয় এপ্রিল পর্যন্ত। এই সময়ে আবহাওয়া বেশ মনোরম থাকে। সেন্ট মার্টিনে থাকার জন্য হোটেল, গেস্টহাউস এবং কটেজ রয়েছে। এছাড়াও, এখানে অনেক রেস্তোরাঁ এবং দোকানপাট রয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার উপায় দুটি রয়েছে। একটি হলো বিমানে, আরেকটি হলো লঞ্চে।

বিমানে সেন্টমার্টিনঃ

চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার জন্য প্রথমে আপনাকে চট্টগ্রাম শহরের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (CGP) যেতে হবে। বিমানবন্দর থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার জন্য আপনি ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, বা প্যারাডাইস এয়ারলাইন্সে উড়তে পারেন। সেন্টমার্টিনের টেকনাফ বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর, আপনি টেকনাফ থেকে লঞ্চে করে সেন্টমার্টিন যেতে পারেন। বিমানে চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার সময় প্রায় ১ ঘন্টা।

লঞ্চে সেন্টমার্টিনঃ

চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায় হলো লঞ্চে। চট্টগ্রামের বন্দর থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছেড়ে যায়। লঞ্চে করে সেন্টমার্টিন যাওয়ার সময় প্রায় ১২ ঘন্টা। চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার উপায় হচ্ছে লঞ্চ রয়েছে:

  • মানামী লঞ্চ
  • এমভি লতা লঞ্চ
  • এমভি সেন্টমার্টিন লঞ্চ
  • এমভি লংকানা লঞ্চ

চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার সময়সূচী নিম্নরূপ:

  • মানামী লঞ্চ: প্রতিদিন সকাল ৭:০০ টায়
  • এমভি লতা লঞ্চ: প্রতিদিন সকাল ৮:০০ টায়
  • এমভি সেন্টমার্টিন লঞ্চ: প্রতিদিন সকাল ৯:০০ টায়
  • এমভি লংকানা লঞ্চ: প্রতিদিন সকাল ১০:০০ টায়
  • সেন্টমার্টিন যাওয়ার জন্য লঞ্চে টিকিট মূল্য প্রায় ৩০০০ থেকে ৫০০০ টাকা।

আপনার ভ্রমণের পরিকল্পনা করার সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলি মনে রাখবেন:

সেন্টমার্টিন একটি দ্বীপ, তাই সেখানে কোন রেলপথ বা সড়কপথ নেই। তাই সেখানে যাওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই বিমান বা লঞ্চে চড়তে হবে। সেন্টমার্টিন একটি জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য, তাই সেখানে ভ্রমণের সময় ভিড়ের জন্য প্রস্তুত থাকুন। সেন্টমার্টিনের আবহাওয়া সারা বছরই গরম থাকে। তাই হালকা এবং আরামদায়ক পোশাক পড়ুন। সেন্টমার্টিনে প্রচুর পরিমাণে সূর্যের আলো পড়ে। তাই সানস্ক্রিন, সানগ্লাস, এবং টুপি ব্যবহার করুন। সেন্টমার্টিনের জল খুবই পরিষ্কার। তাই সাঁতার কাটা উপভোগ করুন। আশা করি এই তথ্যগুলি আপনার কাজে লাগবে।

চট্টগ্রাম থেকে কোন জাহাজ যায় কি নাঃ

হ্যাঁ, চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার জন্য লঞ্চ ছেড়ে যায়। চট্টগ্রামের বন্দর থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছেড়ে যায়। লঞ্চে করে সেন্টমার্টিন যাওয়ার সময় প্রায় ১২ ঘন্টা।

চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার জন্য কিছু জনপ্রিয় লঞ্চ রয়েছে:

  • মানামী লঞ্চ
  • এমভি লতা লঞ্চ
  • এমভি সেন্টমার্টিন লঞ্চ
  • এমভি লংকানা লঞ্চ

চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার সময়সূচী নিম্নরূপ:

  • মানামী লঞ্চ: প্রতিদিন সকাল ৭:০০ টায়
  • এমভি লতা লঞ্চ: প্রতিদিন সকাল ৮:০০ টায়
  • এমভি সেন্টমার্টিন লঞ্চ: প্রতিদিন সকাল ৯:০০ টায়
  • এমভি লংকানা লঞ্চ: প্রতিদিন সকাল ১০:০০ টায়
  • সেন্টমার্টিন যাওয়ার জন্য লঞ্চে টিকিট মূল্য প্রায় ৩০০০ থেকে ৫০০০ টাকা।

আপনি যদি চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিন যেতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই লঞ্চে চড়তে হবে।

চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিনের ভাড়াঃ

২০২৩ সালের নভেম্বর মাসের ৯ তারিখ পর্যন্ত, চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিনের ভাড়া নিম্নরূপ:

ইকোনমিক ক্লাস (কেবিন ছাড়া):

  • একমুখী: ২৫০০ টাকা
  • রাউন্ড ট্রিপ: ৪৫০০ টাকা
  • বিজনেস ক্লাস (কেবিন সহ):
  • একমুখী: ৩৩০০ টাকা
  • রাউন্ড ট্রিপ: ৬৩০০ টাকা
  • ওপেন ডেক (কেবিন ছাড়া):
  • একমুখী: ৩৫০০ টাকা
  • রাউন্ড ট্রিপ: ৬৫০০ টাকা

ভাড়ার মধ্যে খাবার ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা অন্তর্ভুক্ত। লঞ্চের ধরন ও ক্লাসভেদে ভাড়ার কিছুটা তারতম্য হতে পারে।

সেন্টমার্টিন এর দৈর্ঘ্য কতঃ

সেন্টমার্টিন দ্বীপের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫.৬৩ কিলোমিটার। এটি উত্তর-দক্ষিণে লম্বা। এ দ্বীপের তিন দিকের ভিত শিলা যা জোয়ারের সময় তলিয়ে যায় এবং ভাটার সময় জেগে ওঠে। এগুলোকে ধরলে এর আয়তন হবে প্রায় ১০-১৫ বর্গ কিলোমিটার। সেন্টমার্টিন দ্বীপটি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত একটি দ্বীপ। এটি বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবাল দ্বীপ।

চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিন যেতে কত সময় লাগেঃ

চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিন যেতে লঞ্চে প্রায় ১২ ঘন্টা লাগে। তবে, আবহাওয়া ও লঞ্চের গতির উপর নির্ভর করে এ সময়ের কিছুটা তারতম্য হতে পারে। চট্টগ্রামের বন্দর থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছেড়ে যায়। লঞ্চটি কক্সবাজারের টেকনাফ হয়ে সেন্টমার্টিন পৌঁছায়। টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার।

সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যঃ

সেন্ট মার্টিন দ্বীপ তার অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। এখানে রয়েছে বিস্তৃত বালুকাময় সৈকত, নীল সমুদ্র, সবুজ গাছপালা এবং প্রবাল প্রাচীর।

সৈকত: সেন্ট মার্টিনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থান হল এর বিস্তৃত বালুকাময় সৈকত। এখানে রয়েছে সাদা বালু, নীল সমুদ্র এবং সবুজ গাছপালা। সেন্ট মার্টিনের সবচেয়ে জনপ্রিয় সৈকতগুলি হল:

  • হোটেল সী প্যালেস সৈকত: এটি দ্বীপের সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয় সৈকত।
  • ছেঁড়া দ্বীপ সৈকত: এটি একটি ছোট দ্বীপ যা সেন্ট মার্টিন থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
  • জলি পয়েন্ট সৈকত: এটি একটি ছোট এবং নির্জন সৈকত যা সেন্ট মার্টিনের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত।
  • সমুদ্র: সেন্ট মার্টিনের সমুদ্র অত্যন্ত স্বচ্ছ এবং পরিষ্কার। এখানে সাঁতার কাটা, সূর্যস্নান করা এবং বিভিন্ন জল ক্রিয়াকলাপ উপভোগ করা যায়।
  • গাছপালা: সেন্ট মার্টিনে প্রচুর নারিকেল গাছ রয়েছে। এছাড়াও এখানে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল এবং গাছপালা।
  • প্রবাল প্রাচীর: সেন্ট মার্টিনের উপকূলে একটি সুন্দর প্রবাল প্রাচীর রয়েছে। এখানে সাঁতার কাটা এবং প্রবাল দেখার সুযোগ রয়েছে।

সেন্ট মার্টিনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সত্যিই অসাধারণ। এখানে ভ্রমণ করলে আপনি নিশ্চিতভাবেই একটি অত্যাশ্চর্য অভিজ্ঞতা লাভ করবেন।

চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিন বিস্তারিতঃ

চট্টগ্রাম থেকে সেন্ট মার্টিন যাওয়ার জন্য দুটি উপায় রয়েছে। একটি হলো বিমানে, আরেকটি হলো লঞ্চে।

বিমানে সেন্টমার্টিন ভ্রমণঃ

চট্টগ্রাম থেকে সেন্ট মার্টিন যাওয়ার জন্য প্রথমে আপনাকে চট্টগ্রাম শহরের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (CGP) যেতে হবে। বিমানবন্দর থেকে সেন্ট মার্টিন যাওয়ার জন্য আপনি ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, বা প্যারাডাইস এয়ারলাইন্সে উড়তে পারেন। সেন্ট মার্টিনের টেকনাফ বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর, আপনি টেকনাফ থেকে লঞ্চে করে সেন্ট মার্টিন যেতে পারেন। বিমানে চট্টগ্রাম থেকে সেন্ট মার্টিন যাওয়ার সময় প্রায় ১ ঘন্টা।

লঞ্চে সেন্টমার্টিন ভ্রমণঃ

চট্টগ্রাম থেকে সেন্ট মার্টিন যাওয়ার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায় হলো লঞ্চে। চট্টগ্রামের বন্দর থেকে সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছেড়ে যায়। লঞ্চে করে সেন্ট মার্টিন যাওয়ার সময় প্রায় ১২ ঘন্টা। চট্টগ্রাম থেকে সেন্ট মার্টিন যাওয়ার জন্য

কিছু জনপ্রিয় লঞ্চ রয়েছে:

  • মানামী লঞ্চ
  • এমভি লতা লঞ্চ
  • এমভি সেন্টমার্টিন লঞ্চ
  • এমভি লংকানা লঞ্চ

চট্টগ্রাম থেকে সেন্ট মার্টিন যাওয়ার সময়সূচী নিম্নরূপ:

  • মানামী লঞ্চ: প্রতিদিন সকাল ৭:০০ টায়
  • এমভি লতা লঞ্চ: প্রতিদিন সকাল ৮:০০ টায়
  • এমভি সেন্টমার্টিন লঞ্চ: প্রতিদিন সকাল ৯:০০ টায়
  • এমভি লংকানা লঞ্চ: প্রতিদিন সকাল ১০:০০ টায়
  • সেন্ট মার্টিন যাওয়ার জন্য লঞ্চে টিকিট মূল্য প্রায় ৩০০০ থেকে ৫০০০ টাকা।

সেন্টমার্টিন ভ্রমণের পরিকল্পনাঃ

আপনার ভ্রমণের পরিকল্পনা করার সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলি মনে রাখবেন: সেন্টমার্টিন একটি দ্বীপ, তাই সেখানে কোন রেলপথ বা সড়কপথ নেই। তাই সেখানে যাওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই বিমান বা লঞ্চে চড়তে হবে। সেন্টমার্টিন একটি জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য, তাই সেখানে ভ্রমণের সময় ভিড়ের জন্য প্রস্তুত থাকুন। সেন্টমার্টিনের আবহাওয়া সারা বছরই গরম থাকে। তাই হালকা এবং আরামদায়ক পোশাক পড়ুন। সেন্টমার্টিনে প্রচুর পরিমাণে সূর্যের আলো পড়ে। তাই সানস্ক্রিন, সানগ্লাস, এবং টুপি ব্যবহার করুন। সেন্টমার্টিনের জল খুবই পরিষ্কার। তাই সাঁতার কাটা উপভোগ করুন।

কী কী দেখবেন এবং করবেনঃ

সেন্ট মার্টিন একটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি। এখানে আপনি নিম্নলিখিত জিনিসগুলি দেখতে এবং করতে পারেন:

সৈকত: সেন্ট মার্টিনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এর সৈকত। এখানে রয়েছে সাদা বালি, নীল পানি, এবং সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য।
প্রবাল: সেন্ট মার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। এখানে আপনি বিভিন্ন প্রজাতির প্রবাল দেখতে পাবেন।
ছেড়াদিয়া দ্বীপ: সেন্ট মার্টিনের কাছে একটি ছোট দ্বীপ হলো ছেড়াদিয়া। ভাটার সময় এই দ্বীপে হেঁটে যেতে পারেন।
মাছ ধরা: সেন্ট মার্টিনে প্রচুর পরিমাণে মাছ পাওয়া যায়। আপনি এখানে মাছ ধরার অভিজ্ঞতা নিতে পারেন।
সূর্যাস্ত উপভোগ করা: সেন্ট মার্টিনের সূর্যাস্ত পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর সূর্যাস্তগুলির মধ্যে একটি

সেন্টমার্টিনে রাত্রি যাপন এর অভিজ্ঞতাঃ

সেন্টমার্টিন দ্বীপে রাত্রি যাপন একটি অসাধারণ অভিজ্ঞতা। সৈকতের পাশে থাকার সময়, আপনি রাতের বেলায় সমুদ্রের শব্দ শুনতে পাবেন এবং চাঁদের আলোয় সমুদ্রের জল দেখতে পাবেন। আমি গত বছর সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভ্রমণ করেছিলাম। আমি একটি রিসোর্টে ছিলাম যা সৈকতের কাছাকাছি অবস্থিত ছিল। রাতে, আমি আমার জানালায় বসে সমুদ্রের শব্দ শুনতে পেতাম। চাঁদের আলোয় সমুদ্রের জল দেখতে খুবই সুন্দর লাগছিল। আমি আমার রিসোর্টের সুইমিং পুলে সাঁতার কাটতে গিয়েছিলাম। রাতের বেলায় সুইমিং পুলে সাঁতার কাটা একটি খুবই রোমান্টিক অভিজ্ঞতা।

আমি সেন্টমার্টিন দ্বীপে রাত্রি যাপনের অভিজ্ঞতা খুবই উপভোগ করেছি। এটি একটি অনন্য এবং স্মরণীয় অভিজ্ঞতা ছিল। এখানে কিছু টিপস রয়েছে যা আপনাকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে রাত্রি যাপনের অভিজ্ঞতাকে আরও উপভোগ করতে সাহায্য করবে: আপনার হোটেল বা রিসোর্টের সুযোগ-সুবিধাগুলি পরীক্ষা করুন। অনেক হোটেল এবং রিসোর্ট রাতের বেলায় বিনোদনমূলক কার্যক্রম এবং খাবারের ব্যবস্থা করে। আপনার হোটেল বা রিসোর্টের কাছাকাছি একটি রেস্তোরাঁ খুঁজুন। রাতের বেলায় সৈকতের কাছাকাছি একটি রেস্তোরাঁয় খাওয়া একটি দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা।

আপনার হোটেল বা রিসোর্টের কাছাকাছি একটি সুইমিং পুল খুঁজুন। রাতের বেলায় সুইমিং পুলে সাঁতার কাটা একটি খুবই রোমান্টিক অভিজ্ঞতা।

ছেড়া দ্বীপ ভ্রমণঃ

ছেড়া দ্বীপ হলো বাংলাদেশের মানচিত্রে দক্ষিণের সর্বশেষ বিন্দু। এটি সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। ছেড়া দ্বীপ একটি ছোট দ্বীপ, যার আয়তন প্রায় ১ বর্গকিলোমিটার। দ্বীপটি প্রবাল প্রাচীর দ্বারা বেষ্টিত এবং এটিতে প্রচুর পরিমাণে নারিকেল গাছ রয়েছে। ছেড়া দ্বীপ একটি জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য। পর্যটকরা দ্বীপটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন। দ্বীপে সাঁতার কাটা, সূর্যস্নান করা, এবং প্রবাল প্রাচীরের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। জোয়ারের সময় ছেড়া দ্বীপ সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এই সময়ে, পর্যটকরা স্পিড বোট বা ট্রলার দিয়ে দ্বীপে যেতে পারেন। ভাটার সময়, পর্যটকরা হেঁটে বা সাইকেল চালিয়ে দ্বীপে যেতে পারেন। ছেড়া দ্বীপ একটি অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি। এটি একটি অনন্য অভিজ্ঞতা যা সবার জন্যই অবশ্যই উপভোগ্য।

শেষ কথাঃ

সেন্ট মার্টিন দ্বীপটি বাংলাদেশের একটি অমূল্য সম্পদ। চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার উপায় ও মাধ্যম জানতে পেরেছেন আশাকরি। এ দ্বীপটিকে রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। সেন্ট মার্টিন দ্বীপটিতে পর্যটকদের সংখ্যা বাড়ছে। এটি দ্বীপের পরিবেশের জন্য হুমকি হয়ে উঠছে। তাই পর্যটকদেরকে দ্বীপের পরিবেশ রক্ষার জন্য সচেতন হতে হবে। সরকারের উচিত সেন্ট মার্টিন দ্বীপটিকে একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া। এতে দ্বীপের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে এবং স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এখানে কিছু নির্দিষ্ট পদক্ষেপের কথা বলা যেতে পারে যা দ্বীপের পরিবেশ রক্ষা এবং পর্যটনকে উৎসাহিত করার জন্য নেওয়া যেতে পারে: দ্বীপের পরিবেশগত নীতিমালা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন করা। এই নীতিমালাগুলি দ্বীপের পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এমন কার্যকলাপগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করবে। এই দ্বীপের পরিবেশ সম্পর্কে পর্যটকদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পর্যটকদেরকে দ্বীপের পরিবেশ রক্ষার জন্য কিভাবে পদক্ষেপ নেওয়া যায় সে সম্পর্কে জানানো উচিত। দ্বীপে পরিবেশবান্ধব পর্যটন ব্যবস্থার উন্নয়ন করা। এতে পরিবেশের ক্ষতি কমাতে সাহায্য করবে। দ্বীপের অবকাঠামো উন্নয়ন করা। এতে পর্যটকদের জন্য দ্বীপে ভ্রমণ করা আরও সহজ হবে। এই পদক্ষেপগুলি বাস্তবায়িত হলে সেন্ট মার্টিন দ্বীপটি একটি সুন্দর এবং পরিবেশবান্ধব পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।

5/5 - (1 vote)

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button