Travel

মেহেরপুর কিসের জন্য বিখ্যাত

বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের জেলা মেহেরপুর। মেহেরপুর কিসের জন্য বিখ্যাত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সাথে মেহেরপুর জেলার রয়েছে স্মৃতি। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে মেহেরপুর বাংলাদেশের অস্থায়ী রাজধানী ছিল ও তৎকালীন সময়ে এই মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় আম্রকাননে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠন করা হয়। ১৯৮৪ সালের দিকে মেহেরপুর জেলা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। মেহেরপুরে রয়েছে ৩টি উপজেলা ও ১৮টি ইউনিয়ন।

মেহেরপুর কিসের জন্য বিখ্যাত

মেহেরপুর জেলা কিসের জন্য বিখ্যাত এ প্রশ্নটি বরাবর অনেকেই করে থাকেন। আমড়া ও মেহেরপুর মিষ্টি সাবিত্রি এবং রসকদম্বব এর জন্য মেহেরপুর জেলা বিখ্যাত। এছাড়া ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মেহেরপুরে অস্থায়ী সরকার গঠন ও ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহণের জন্য মেহেরপুর বাংলাদেশে ও সারা বিশ্বে সর্বাধিক পরিচিত।

মেহেরপুর জেলার দর্শনীয় স্থান

  • আমদহ গ্রামের স্থাপত্য
  • সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির
  • মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্স ও মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ
  • আমঝুপি নীলকুঠি
  • নীলকুঠি ও ডিসি ইকোপার্ক
  • বলরাম হাড়ির মন্দির
  • বল্লভপুর গির্জা
  • ভবানন্দপুর মন্দির
  • স্বামী নিগামানন্দ আশ্রম

এসকল দর্শনীয় স্থান ছাড়াও আপনি মেহেরপুরে এলে আরো কিছু স্থান দেখতে পাবেন যা আপনাকে মুগ্ধ করবে।

মেহেরপুর জেলার বিখ্যাত খাবার

মেহেরপুর জেলার বিখ্যাত খাবারের তালিকায় রয়েছে মিষ্টি জাতীয় খাবার রসকদম্ব ও সাবিত্রী। এই দুইটি খাবার হলো মেহেরপুরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি। এই সুস্বাদু খাবারের টানেও দেশ বিদেশ থেকে অসংখ্য পর্যটক মেহেরপুরে আসেন।

মেহেরপুর জেলার উপজেলা সমূহ

মেহেরপুর জেলার উত্তরে কুষ্টিয়া জেলা, পূর্বে চুয়াডাঙ্গা জেলা, দক্ষিণে যশোর জেলা এবং পশ্চিমে ঝালকাঠি জেলা অবস্থিত। গাংনী উপজেলা, মেহেরপুর সদর উপজেলা, মুজিবনগর উপজেলা এবং পালং উপজেলা সহ চারটি উপজেলা নিয়ে মেহেরপুর গঠিত।

শেরপুর কিসের জন্য বিখ্যাত

মেহেরপুর জেলার থানার নাম

মহাকুমা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবার পর মেহেরপুরে ৫ টি থানা অন্তভূর্ক্ত হয় যথা-করিমপুর, গাংনী, তেহট্ট, চাপড়া ও মেহেরপুর সদর। তবে বর্তমানে এ জেলা চারটি(৪) উপজেলা বা থানা নিয়ে গঠিত।

  • মেহেরপুর
  • গাংনি
  • মুজিবনগর
  • পালং ইত্যাদি।
মেহেরপুর জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ

মেহেরপুর জেলা তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত, যেখানে সবুজ মাঠ, ঝিরিঝিরি নদী এবং পাহাড়ি টিলা ল্যান্ডস্কেপ রয়েছে। জেলাটি ঐতিহাসিক মুজিবনগর মেমোরিয়াল গ্রাউন্ড, একটি প্রাচীন দুর্গের ধ্বংসাবশেষ এবং ১৭ শতকের একটি মসজিদের ধ্বংসাবশেষের মতো অনেক আকর্ষণীয় স্থানের আবাসস্থল। বন্যপ্রাণী উত্সাহীরা বিভিন্ন বিরল পাখি এবং প্রাণী দেখতে কাছাকাছি বিল বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য অন্বেষণ করতে পারেন।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে আশীর্বাদপুষ্ট একটি সুন্দর জেলা মেহেরপুর। এটি জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত পদ্মা নদী সহ বাংলাদেশের সবচেয়ে মনোরম কিছু স্থানের আবাসস্থল। অত্যাশ্চর্য লালমাই পাহাড় এবং লালমাই জাতীয় উদ্যানের সবুজ সবুজের মতো পরিবার বা বন্ধুদের সাথে ঘুরে দেখার জন্য মেহেরপুরে প্রচুর জায়গা রয়েছে। জেলাটিতে বেশ কিছু প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনও রয়েছে, যেমন মহাস্থানগড়ের প্রাচীন শহরের ধ্বংসাবশেষ, যার একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে খ্রিস্টপূর্ব অষ্টম শতকে।

 

5/5 - (1 vote)

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button