Travel

বাংলাদেশের সবচেয়ে শিক্ষিত জেলা কোনটি

বাংলাদেশের সবচেয়ে শিক্ষিত জেলা কোনটি

বাংলাদেশের সবচেয়ে শিক্ষিত জেলা কোনটি একটা সময়ে যেখানে সারাদেশে হাতে গোনা কিছু লোকে লেখাপড়া করতে পারতো। কিন্ত সময়ের ব্যবধানে এখন সকলে লেখাপড়া করছে। সরকার ক্লাস টেন পর্যন্ত সরকারে বিনামূল্যে বই বিতরন করছে। আগে যেখানে দেশের হাতে গোনা কয়েকটি কলেজ ছিলো সেখান এখন কলেজের সংখ্যাও বেড়েছে

বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর জেলা কোনটি

পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ইন্জিনিয়ারিং কলেজ, মেডিকেল কলেজ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় সকল কিছু বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের তুলনায় এখন প্রাইমারী স্কুল, হাই স্কুল এর সংখ্যাও বেড়েছে। যেখানে এখন দেশের শহরে, গ্রামে সকল স্থানে এখন শিক্ষিত লোকের সংখ্যা বেড়েছে।

বন্ধুরা, আজকে টপ ফাইফ বিডি ওয়েবসাইটে পোষ্ট লিখছি আমি জাহিদ হাসান রাফসান। নিয়মিত পোষ্ট লিখার সেই ধারাবাহিকতায় আজকের এই পোষ্ট এর মাঝেও আমি কথা বলবো বাংলাদেশের বাংলাদেশের সেরা ০৫টি শিক্ষিত জেলা নিয়ে। যে পোষ্টটির মাধ্যমে আপনারা সেরা ০৫টি শিক্ষিত জেলার অনেক অনেক কিছু জানতে পারবেন।

চুয়াডাঙ্গা জেলাঃ

বাংলাদেশ ৬৪টি জেলাতেই এখন অনেক গুলো স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ রয়েছে। যেখানে তারা অনেক সময় নিয়ে লেখাপড়ার করে। যেখানে আগে সমাজের একটা নিদিষ্ট শ্রেনীর ব্যক্তিরা ছাড়া কেউ লেখাপড়া করতে পারতো না। সেখানে এখন প্রায় সকল শ্রেনীর ছেলে মেয়েরা লেখাপড়া করছে।

সারাদেশের শিক্ষার ব্যাপক প্রসার হলেও এই সব জেলার মাঝে বাংলাদেশের মাঝে সবচেয়ে শিক্ষিত জেলার সিরিয়ালে সবার ১ম হচ্ছে চুয়াডাঙ্গা জেলা। খুলনা বিভাগের এই জেলাটিতে স্বাক্ষরতার হার হলো ১০০ % । এই জেলাটি মুক্তিযুদ্ধের সময়ও সবার আগে স্বাধীনতা লাভ করেছে।

বাংলাদেশের মাঝে ৬৪টি জেলা থাকার মাঝে অন্যতম একটি জেলা হলো চুয়াডাঙ্গা। যেখানে প্রতিনিয়ত লোকের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। যার জন্য সেই গুলো চিন্তা করে পরে সেখানে উপভোগ করতে পারবে। আরো নানা সুবিধার জন্য এই গুলোর চাহিদা বেশ বলা হয়ে থাকে।

বরগুনা জেলাঃ

একটু আগেই আমরা বাংলাদেশের শিক্ষিত জেলা গুলো মাঝে সবার আগে যেটা রয়েছে সেটা নিয়ে কথা বলেছি। এখন আমরা বাংলাদেশের আরেকটি জেলা সম্পর্কে জানবো। যে জেলাটি বাংলাদেশের সেরা শিক্ষিত জেলা গুলোর মাঝে ২য় তম অবস্থানে রয়েছে।

বাংলাদেশের আরেকটি বিভাগ বরিশাল বিভাগের মাঝে বরগুনা জেলার অবস্থান রয়েছে। ১৯৮৪ সালে বরগুনাকে একটি জেলাতে রুপান্তর করা হয়েছে। বাংলাদেশের সেরা ০৫টি শিক্ষিত জেলা গুলোর ‍মাঝে বরগুনা অবস্থান ২য় তম। বরগুনা জেলার স্বাক্ষরতার হার হলো ৮৬.৫৫ % ।

বাংলাদেশের আরেকটি অন্যতম পরিচিত জায়গা হলো বরগুনা। বাংলাদেশের মাঝে তাদের অনেক গুলো লোক বেশ অনেক প্রকারের কাজ করে থাকে। যে কারনে যেকেউ চাইলেই বিভিন্ন সেরা কাজ গুলো করতে পারে। সেজন্য এই জায়গাটি এতোটা পরিচিতি লাভ করে আছে।

বাংলাদেশের সবচেয়ে শিক্ষিত জেলা কোনটি
বাংলাদেশের সবচেয়ে শিক্ষিত জেলা কোনটি

বরিশাল জেলাঃ

বাংলাদেশের মাঝে যতো দিন যাচ্ছে শিক্ষিত ব্যক্তির হার ও স্বাক্ষরতার হার বেড়েই চলছে। মুক্তিযুদ্ধের পরে মাত্র ৫০ বছরের মাঝেই শিক্ষিত ব্যক্তির হার ও স্বাক্ষরতার হার বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। শিক্ষিত ব্যক্তির হার ও স্বাক্ষরতার হার অনুসারে দেশের সেরা দুইটি জেলা সম্পর্কে আমরা জেনেছি ।

এখন আমরা সেই সিরিয়াল অনুসারে আমরা বাংলাদেশের সেরা ০৫টি শিক্ষিত জেলার ৩য় তম জেলা সম্পর্কে জানবো। বাংলাদেশের সেরা ০৫টি শিক্ষিত জেলার মাঝে বরিশাল রয়েছে ৩য় তম অবস্থানে। বরিশাল জেলার স্বাক্ষরতার হার ৭৫.৩%। এই জেলার কিছু বিখ্যাত ব্যক্তি হলো একে ফজলুল হক, হানিফ সংকেত ও মিঠুন চক্রবর্তী।

অনেক আগে থেকে বাংলাদেশের লোকেরা বরিশালকে বেশ গুরুত্ব প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশের সকল কাজে কম বেশি এগিয়ে আছে বরিশাল জেলা। যে কারনে সেখানে চাইলেই যেকেউ বসবাস করতে পারে। আমার দেখা সেরা জেলা গুলোর মাঝে বেশ এগিয়ে আছে বরিশাল।

নোয়াখালী জেলাঃ

বাংলাদেশের মাঝে ভাষার জন্য বেশ পরিচিত ও আলোচিত একটি জনপ্রিয় জেলা হলো নোয়াখালী জেলা। এই জেলাটি তাদের আঞ্চলিক ভাষার জন্য বেশ জনপ্রিয় এবং দেশব্যপী বেশ পরিচিত। যে কারনে বাংলাদেশের মাঝে সকল জেলার মাঝে এই জেলাটির বেশ অন্য রকম একটি সুনাম রয়েছে।

বাংলাদেশের সেরা ০৫টি শিক্ষিত জেলার মাঝে নোয়াখালীর অবস্থান হলো ৪র্থ তম। নোয়াখালী জেলাটি চট্টগ্রাম জেলাতে অবস্থিত। নোয়াখালী জেলার আগের নাম হলো ভুলুয়া । যে নাম পরিবর্তন করে এখন নোয়াখালী রাখা হয়েছে। নোয়াখালী জেলার স্বাক্ষরতার হার হলো ৬৯.৫০%।

শুধু লেখাপড়া নয়, ভাষাতে, সংস্কৃতিতে সহ অন্যান্য আরো বেশ কিছু কাজে অনেকটা এগিয়ে আছে নোয়াখালি জেলা। যে কারনে এখন যে কেউ চাইলেই সেখানে লেখাপড়া করতে পারে। সারা দেশের মাঝে সকল জায়গাতে নোয়াখালিকে অন্যতম একটি জায়গা মনে করা হয়।

সিরাজগঞ্জ জেলাঃ

আমরা আজকে বাংলাদেশের সেরা ০৫টি শিক্ষিত জেলার ‍মাঝে ০৪টি জেলা সম্পর্কে জেনেছি। আজকে আমরা আমাদের বাংলাদেশের সেরা ০৫টি শিক্ষিত জেলার মাঝে শেষ এবং সেরা ০৫ তম জেলা সম্পর্কে জানবো। আগের জেলা গুলোর মতো এই জেলাটির বেশ সুনাম রয়েছে।

বাংলাদেশের সেরা ০৫টি শিক্ষিত জেলা গুলোর মাঝে শেষ শিক্ষিত হলো সিরাজগঞ্জ জেলা। যেটি বাংলাদেশের বেশ জনপ্রিয় বিভাগ রাজশাহীর মাঝে রয়েছে। সিরাজগঞ্জ জেলাটি তাঁত শিল্পের জন্য বেশ সুনাম রয়েছে। সিরাজগঞ্জ জেলার স্বাক্ষরতার হার হলো ৬৮%।

অন্যান্য জায়গার মতো সিরাজগঞ্জেও এখন শিক্ষিত লোকের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। সেখানে স্কুল, কলেজ এর সংখ্যা বৃদ্ধি করা হলো অন্যতম কারন যার জন্য সেখানে শিক্ষিত লোকের সংখ্যা এতো বেড়েছে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের সেরা শিক্ষিত জায়গাতে এগিয়ে গেছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হারে ভারত এ অঞ্চলে তৃতীয় (৮ দশমিক ৪ শতাংশ), শ্রীলংকা চতুর্থ (৭ দশমিক ৯ শতাংশ), ব্রুনাই পঞ্চম (৭ দশমিক ৫ শতাংশ), ফিলিপাইন ষষ্ঠ (৭ দশমিক ৫ শতাংশ), ইরান সপ্তম (৭ দশমিক ৪ শতাংশ), মঙ্গোলিয়া অষ্টম (৭ শতাংশ), লাওস নবম (৬ দশমিক ৯ শতাংশ) এবং ফিজি দশম (৫ দশমিক ১ শতাংশ)।

বাংলাদেশে শিক্ষাগত যোগ্যতার কোন পর্যায়ে বেকারত্বের হার কত, তাও তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে। ২০১৭ সালে বাংলাদেশে শিক্ষার প্রাথমিক স্তর পার হয়নি- এমন মানুষের মধ্যে বেকারত্বের হার সবচেয়ে কম (১ দশমিক ৮ শতাংশ)। প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করা মানুষের মধ্যে বেকারত্বের হার ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। যারা মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষিত, তাদের মধ্যে বেকার সাড়ে ৮ শতাংশ। উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে বেকার ১০ দশমিক ৭ শতাংশ।

বরিশাল থেকে পটুয়াখালী কত কিলোমিটার

আইএলওর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে দেড় যুগ আগে ২০০০ সালে সার্বিক বেকারত্বের হার ছিল ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। ২০১০ সালে তা ৩ দশমিক ৪ শতাংশে দাঁড়ায়। ২০১৩, ২০১৬ ও ২০১৭ সালের হিসাবে এই হার একই থাকে (৪ দশমিক ৪ শতাংশ)। বাংলাদেশে পুরুষের ক্ষেত্রে বেকারত্ব ৩ দশমিক ৩ শতাংশ ও নারীর ক্ষেত্রে ১২ দশমিক ৮ শতাংশ।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাংলাদেশে তরুণদের মধ্যে বেকারত্ব ২০১০ সালের তুলনায় দ্বিগুণ হয়ে ২০১৭ সালে ১২ দশমিক ৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের তরুণদের বড় অংশ আবার নিষ্ক্রিয়। তারা কোনো ধরনের শিক্ষায় যুক্ত নন, প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন না, আবার কাজও খুঁজছেন না। দেশে এমন তরুণের হার ২৭ দশমিক ৪ শতাংশ। মেয়েদের মধ্যে এই হার বেশি, ৪৫ শতাংশের কাছাকাছি।

Rate this post

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button